উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েকদিনের টানা বর্ষণে উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সাড়ে চার হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়েছে।
ইতোমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা চরের কমপক্ষে ছয়টি বাড়ি তিস্তা নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী, কোলকোন্দ, মর্নেয়া, গজঘন্টা ও গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলও পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা গণমাধ্যমকে জানান, লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলি, শংকরদহ, বাগেরহাট আশ্রয়ন, পূর্ব ইচলির ১ হাজার, কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা, মটুকপুর, চিলাখাল, খলাইরচরসহ নিম্নাঞ্চলের ১ হাজার ৫শ, নোহালীর মিনার বাজার, কচুয়াচর, বৈরাতী বাঁধের ধার, চর নোহালী, বাগডহরা চরের ৫শ, মর্নেয়া ইউনিয়নের মর্নেয়াচর, তালপট্টি, আলাল চর, নরসিং চরের ৫শ, গজঘন্টা ইউনিয়নের কালির চর, ছালাপাক, গাউছিয়া বাজার, জয়দেব, মইশাসুর, রামদেব চরে ৫শসহ আলম বিদিত ও গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের তিস্তাবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের ৫শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ৬/৭ দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে অতিকষ্টে আছেন তারা। এখনও কোনো ত্রাণ সহায়তা পাননি।
তারা আরও জানান, কষ্ট হলেও পানিবন্দি হয়ে থাকা যায়, কিন্তু বাড়ি ভেঙে গেলে তারমত কষ্ট হয় না। যত দ্রুত সম্ভব তারা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
লক্ষ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী একটি গণমাধ্যমকে বলেন, তার ইউনিয়নের ১ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত আছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলীমা বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, পানিবন্দি পরিবারগুলোর জন্য ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের অনুকূলে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে।