পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ‘বৈসাবি’ উৎসব আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) শুরু হয়েছে। ‘বৈসু, সাংগ্রই ও বিজু’ এই তিনটি উৎসব সংক্ষেপে ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত। বাংলা বছরের শেষ দুই দিন ও নতুন বছরের প্রথম দিন নিয়েই এ উৎসব।
আজ চাকমা সম্প্রদায়ের ‘ফুল বিজু’। খুব ভোরে তরুণ-তরুণী, শিশুরা ফুল সংগ্রহ করে নদীতে ফুল দিচ্ছে। এ ফুল দেয়ার উদ্দেশ্য হলো পুরাতন বছরের সকল গ্লানি দুঃখ মুছে গিয়ে, নতুন বছরের শুভ কামনা করা।
ভোর থেকে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের খবংপুজ্যা গ্রামের চরে চেঙ্গী নদীতে ফুল দিতে আসে শত শত তরুন তরুণী, শিশু। সকালে ফুল দেওয়া শেষ হলে, প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও ফুল দিয়ে সাজাবে।
আগামীকাল মুল বিজু। মুল বিজুর দিনে প্রতিটি বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ন করা হবে। অতিথিদের নানা রকমের সবজি দিয়ে ‘পাচন’ তৈরী করে অতিথিদের পরিবেশন করা হয়। বাংলা নতুন বছরটি হলো গজ্যাপুজ্যা দিন। এদিন বিশ্রামের সময়। অবশ্য আজকাল এই দিনেও প্রত্যেক বাড়িতে খানাপিনা চলে।
বৈশ্বয়িক মহামারি করোনার কারনে অধিকাংশকে মাস্ক পড়তে দেখা গেলেও ভীড়ের কারনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলছে তা বলা যাবে না। গত বছর করোনা মহামারিরকা রনে বৈসাবি উৎসব পালিত হয়নি।