বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য নিয়ে টিকে আছে যেসব প্রাণী

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

অক্টোবর ১৭, ২০২৩, ০৮:১৭ পিএম

বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য নিয়ে টিকে আছে যেসব প্রাণী

প্রত্যেকটি প্রাণীর কিছু না কিছু বিশেষ দক্ষতা রয়েছে যেটা তার টিকে থাকার মূল শক্তি। কিন্তু এর মধ্যে কিছু এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা বিস্ময়ের জন্ম দেয়। বিবিসির প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য উঠে এসেছে।

সুপ্রিয় দর্শক, আমি…… স্বাগত জানাচ্ছি দ্য রিপোর্ট ডট লাইভে।

পেঙ্গুইন

পেঙ্গুইন পাখি শ্রেণীভুক্ত হলেও এটি উড়তে পারে না। কিন্তু খর্বকায় এই প্রাণী সমুদ্রের ৫৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত সাঁতরে যেতে পারে। নিশ্বাস বন্ধ রাখতে পারে টানা ২০ মিনিট।

পেঙ্গুইন মাইনাস ৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মতো হিমশীতল তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। শরীরে বাড়তি চর্বি থাকলে এই ঠান্ডা সহ্য করা আরও সহজ হয়।

ভালুক

ভালুকরা বছরের একটি লম্বা সময় শীত-নিদ্রায় থাকে। এসময় তারা কোন কিছু শিকার করে না, খায় না। তেমন চলাফেরাও করে না।

অথচ বছরের বাকি সময় দিনের ২০ ঘণ্টাই তারা কাটায় শিকার করে। মাত্র চার ঘণ্টা বিশ্রাম করে।

সিংহ

সিংহের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল তারা দলবেঁধে শিকার করে এবং নিজেদের চাইতে বড় প্রাণীকে পরাভূত করে। এই শিকারের দক্ষতা সিংহের শক্তি থেকে নয়, বরং আসে বুদ্ধি থেকে।

সিংহের মস্তিষ্কে উন্নত ফ্রন্টাল কর্টেক্স রয়েছে। মস্তিষ্কের এই অংশটি কাজে লাগিয়ে সিংহ শিকারের কৌশলগত পরিকল্পনা করে থাকে।

পিঁপড়া

পিঁপড়াদের উপনিবেশকারী বা কলোনাইজার বলা হয়। কারণ তারা লাখ লাখ সংখ্যায় ঝাঁক বেঁধে কলোনি করে থাকে।

পিঁপড়ার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য তাদের শক্তি। এরা নিজেদের ওজনের চাইতে পাঁচ হাজার গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে।

শিয়াল

লাল শিয়ালের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এটি শিকার করতে পৃথিবীর চুম্বকীয় ক্ষেত্র কাজে লাগায়। এজন্য তারা ব্যবহার করে ক্রিপ্টোক্রোম নামক চোখের প্রোটিন।

শিকার যদি ঘন বরফ বা ঘন ঘাসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাহলে চুম্বকীয় ক্ষেত্রের সাহায্যে শিকারের সঠিক অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে শিয়াল।

এই বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে লাফিয়ে সে শিকার পাকড়াও করে।

হাতি

পানির উৎস খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে প্রাণী জগতের বিশেষজ্ঞ হল হাতি। কোথাও বৃষ্টি হলে এরা কয়েকশ মাইল দূর থেকে টের পায়।

এছাড়া হাতির বড় বড় কান এদের শরীরকে ঠান্ডা রাখে। হাতির কানে বড় বড় রক্তনালী থাকে তাই কান নাড়ালে রক্তসঞ্চালন বাড়ে ও শরীর শীতল হয়।

কুমির

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি চোয়ালের জোর আছে যে প্রাণীর সেটি হল কুমির। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কুমিরের চোয়াল দুই হাজার কিলোগ্রাম শক্তিতে তার শিকারকে ঘায়েল করে।

আর একবার চোয়াল খুলে বন্ধ করতে তার সময় লাগে মাত্র ৫০ মিলি সেকেন্ড। অর্থাৎ চোখের পলক ফেলার চেয়ে ছয় গুণ দ্রুত।

 সংবেদনশীল শরীরের সাহায্যে কুমির স্থির পানিতে ২০ মিটার দূরে তার শিকারের অবস্থান টের পায়।

দর্শক আজ এই পর্যন্তই, দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। সর্বশেষ তথ্যের জন্য লাইক, কমেন্ট, সাবস্ক্রাইব এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকুন।

Link copied!