কয়েক দফা পেছানোর পর আজ শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’। সপ্তাহব্যাপী এ শুমারি চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। প্রতি ১০ বছর অন্তর এ শুমারী হওয়ার কথা থাকলেও মহামারীর কারণে গত বছর তা হয়নি।
দেশের মোট জনসংখ্যা এখন কত, তা জানতেই মূলত রেলস্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল, বাসস্ট্যান্ডসহ দেশে এ ধরনের স্থানগুলোতে ভাসমান মানুষ গণনাসহ তাদের সম্পর্কে মৌলিক জনমিতিক, আর্থ-সামাজিক ও বাসগৃহসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের মধ্যদিয়ে শুরু হবে জনশুমারি।
জনশুমারিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে তথ্য সংগ্রহ। এ কাজে শুমারিকর্মী হিসেবে সারাদেশে নিয়োজিত থাকবেন ৩ লাখ ৭০ হাজার গণনাকারী। এছাড়া থাকবেন সুপারভাইজার এবং বিবিএসের প্রায় ৭০ হাজার কর্মচারী। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, গণকের দায়িত্ব খুব ছোট দায়িত্ব। তাকে গড়ে মাত্র একশো পরিবার গুনতে হবে তাকে। ঘরের বিবরণও আমরা নেবো যে, কী রকম ঘরে এই গৃহস্থ বাস করেন।
১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত হয়, দেশের প্রথম জনশুমারি। তারপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯১ সালে তৃতীয় ২০০১ সালে চতুর্থ এবং ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম শুমারি। খাদ্যপণ্যের চাহিদা এবং যোগানের সঠিক তথ্য নিশ্চিত হতে এই নিদিষ্ট সময়ে শুমারির বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) আওতায় এ শুমারির মূল তথ্যসংগ্রহ শুরুর আগে সার্বিক বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন চত্বরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন সার্বিক বিষয়ে উপস্থাপনা করেন।