গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং এর সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে পাল্টা কোন পদক্ষেপ নেবে না বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২১ উপলক্ষে শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।
সম্প্রতি, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ নিষেধাজ্ঞার যথার্থতা দেখছে না সরকার। এর বিরুদ্ধে পাল্টা কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হবে না জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশকে না জানিয়ে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো পাল্টা ব্যবস্থা বা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, “পাল্টা অ্যাকশন (ব্যবস্থা) নেওয়ার কোনো চিন্তা-ভাবনা আমরা করছি না। বরং আমরা বলতে চাচ্ছি, আমরা ভালো কাজ করছি, তোমরা (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের সঙ্গে কাজ করো। আমরা একত্রে কাজ করতে চাই। দোষারোপের মানসিকতা আমাদের নাই।”
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের কল্যাণ বাড়ানো। এখানে আমরা সবার সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমাদের পররাষ্ট্রনীতিও এটাই। কারও বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আক্রোশ আমাদের নাই।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা নিজেরা বিষয়টি নিয়ে আলাপ করছি। এর মধ্যে আবার বসব। বসে ঠিক করব কীভাবে কী করা যায়।”
যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি রাশেদ চৌধুরীকে আটকে রেখেছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তারা একটা খুনিকে রেখেছে। আবার আইনের কথা বলে, মানবতার কথা বলে। যে মানবতা লঙ্ঘন করল, মানুষ মেরে ফেলল, তাকে (রাশেদ চৌধুরী) তারা (যুক্তরাষ্ট্র) আশ্রয় দিয়ে থাকে। এটা তো ঠিক না।”