আগামী ২১ মে বাংলাদেশ প্রযোজক পরিবেশক সমিতির নির্বাচন। এই নির্বাচনে খোরশেদ আলম খসরু-শামসুল আলম এবং সেলিম খান-ডিপজল—এই দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
নির্বাচনে লড়তে দুই প্যানেলের ৪৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই–বাছাই শেষে চারজনের প্রার্থিতা বাতিল করে গত বুধবার নির্বাচন কমিশন বৈধ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। বাতিল শেষে এখন বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪০–এ দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে, এক প্যানেলের প্রধান প্রার্থী খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। একই প্যানেল থেকে মেহেদি হাসান সিদ্দিকীর প্রার্থিতাও বাতিল করা হয়েছে। অন্য প্যানেল থেকে ড্যানি সিডাকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে বাতিল প্রার্থীরা প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত আপিল বোর্ড বরাবর আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। চারজনের প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশ সমিতির ৫(৫) ধারার বিধান মোতাবেক উক্ত চারজন ২০২২-২৪ মেয়াদি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না বিধায় তাঁদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘২০১৪-১৬ মেয়াদি নির্বাচন নিয়ে আদালতে একটা মামলা হয়েছিল, সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত। সেখানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে, পরপর ছয় বছরের জন্য কেউ নির্বাচিত হলে পরেরবার আর নির্বাচন করতে পারবেন না। পুরো মেয়াদ শেষ হোক বা না হোক, সেটা বিষয় নয়। চারজনের বেলায় সেটাই হয়েছে। তবে মাঝে একবার বিরতি দিয়ে এই প্রার্থীরা আবারও নির্বাচন করতে পারবেন।’ এদিকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল প্রার্থীরা প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করতে পারবেন। এ ব্যাপারে মনোনয়ন বাতিল হওয়া খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘আমরা প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য ব্যবস্থা নেব। আপিলের ব্যবস্থা আছে। নিয়ম অনুযায়ী আমরা শিগগিরই আপিল করব। আপিলে সমাধান না হলে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।’