সংগৃহীত ছবি
সংবাদ প্রতিবেদন লিখতে ও গবেষণা কাজে সাহায্য করার জন্য টেক জায়ান্ট গুগল নিয়ে আসছে নতুন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-সমৃদ্ধ টুল। এমনিতেই কয়েকবছর ধরে চলছে গণছাঁটাই, এর মধ্যে গুগলের এই উদ্ভাবন নিয়ে গণহারে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে সংবাদমাধ্যম শিল্প।
গত বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) গুগল জানায়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টুল ব্যবহার করে বিকল্প শিরোনাম, লেখার স্টাইলের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সাহায্য করার জন্য গুগল বিভিন্ন আউটলেটের সাথে কাজ করছে।
প্রতিবেদন তৈরি এবং সত্যতা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এই প্রযুক্তি ছিনিয়ে নিতে পারবে না বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন গুগলের মুখপাত্র জেন ক্রাইডার। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো সাংবাদিকদের এই উদীয়মান প্রযুক্তিগুলো এমনভাবে ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া, যা তাদের কাজের গতি ও উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।’
ক্রাইডার আরও বলেন, ‘এই প্রযুক্তি সাংবাদিকদের বিকল্প নয় বা তাদের ভূমিকাও কমাবে না।’
এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে কেউ চাকরি হারাবে না- গুগলের মুখপাত্র এমন আশ্বাস দিলেও এই আশ্বাসে সাংবাদিকদের শঙ্কা দূর হচ্ছে না। অনেকে ভাবছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারে সাংবাদিকদের সৃজনশীলতাও হয়তো কমিয়ে দেবে।
জেন ক্রাইডার জানান, জিমেইল ও গুগল ডকস ব্যবহারকারীদেরও একই প্রযুক্তিগত সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কোম্পানিটির এই প্রচেষ্টা প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
কিছু মিডিয়া সংস্থা ইতিমধ্যেই জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করতে শুরু করেছে। তবে নির্ভুলতা, চুরি ও কপিরাইট নিয়ে উদ্বেগের কারণে, সংবাদ বা প্রতিবেদন লেখার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ব্যবহার ধীরগতিতে আছে।
বিশ্বজুড়েই মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে সংকট চলছে। কারণে প্রিন্ট মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। এতে চাকরি হারাচ্ছেন শত শত সাংবাদিক। ২০২৩ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের নিউজ রুমগুলো থেকে ১৭ হাজারের বেশি চাকরি হারিয়েছেন।