দক্ষতার অভাবে নয়, মতাদর্শিক কারণে পরিবর্তন হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ১১, ২০২৪, ০৪:১১ পিএম

দক্ষতার অভাবে নয়, মতাদর্শিক কারণে পরিবর্তন হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহাব এনাম খান। সংগৃহীত ছবি

পররাষ্ট্রনীতি ও বৈশ্বিক আর্থ ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহাব ইনাম খান বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ও প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম দক্ষ ছিলেন তবে সরকারের প্রাধান্য বদলে যাওয়ায় মন্ত্রীসভা থেকে বাদ পড়তে হয়েছে তাদের।

তাঁরা বাদ পড়েছেন প্রধানত আদর্শিক জায়গা থেকে। এছাড়া বৈশ্বিক অর্থনীতির বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে, বলেন তিনি। 
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পশ্চিমা যে জোট, অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এমনটি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে  নির্বাচন বিষয়ে নয়নীয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন তাঁরা।

এমনকি নির্বাচনের পরে এ দেশগুলো নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে মে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তার কোনটিই ঠেকাতে পারেননি মোমেন ও শাহরিয়ার।

অধ্যাপক খান বলেন, “এমনটি প্রত্যাশিত ছিল। এটি ঠেকানোর বৈশ্বিক রাজনৈতিক অবস্থা ছিল না। তাই এটি তাদের বাদ পড়ার কারণ হিসেবে বলা যাবে না।”

তিনি বলেন, “পশ্চিমা রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক মডেল আর প্রাচ্যর গণতান্ত্রিক মডেল আলাদা। তাই প্রাচ্যের মডেল আর এই আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করতেই এ পরিবর্তন করা হয়েছে।

“আব্দুল মোমেন অনেকটাই একাডেমিশিয়ান। এখন যিনি মন্ত্রী হচ্ছেন (হাছান মাহমুদ) তিনি রাজনৈতিক ইস্যুগুলোতে পারদর্শী এবং প্রাচ্যের গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে গ্রহণ করে নিতে পাশ্চাত্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করার বা তাদের উদ্বুদ্ধ করার ভূমিকাটি নতুন মন্ত্রী পালন করতে পারবেন মনে করে তাকে নতুন পররাষ্ট্র মন্ত্রী করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োজন বদলেছে। আদর্শিক ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়ে এখন আমাদের পররাষ্ট্রনীতি চলবে। এক্ষেত্রে পরিবর্তন স্বাভাবিকই ছিল।

Link copied!