অনটনের সংসারে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে জাহাজে চাকরি নিয়েছিলেন আবু রাশেদ। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের মাথায় শনিবার ভোরে তার কফিনবন্দি মরদেহ এলো যশোরে গ্রামের বাড়িতে। মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি জাহাজ 'এমভি জাহান মনি'তে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে নাবিক রাশেদের।
সহকর্মী ও পরিবারের অভিযোগ, জাহাজে দায়িত্বরত অবস্থায় শারীরিক-মানসিক নির্যাতনে রাশেদের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করে বিচারের দাবি তুলেছেন তারা।
মণিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমারঘাটা গ্রামের কৃষক আব্দুর সবুর সরদার ও গৃহিণী পারুল বেগম দম্পতির ছেলে আবু রাশেদ। দুই সন্তানের মধ্যে রাশেদ ছিলেন ছোট। বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ৪০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন রাশেদ। গত মার্চে বাংলাদেশের পতাকাবাহী এমভি জাহান মনিতে ডেক ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন তিনি।
৩০ মে ভারতের মুম্বাই বন্দরের জলসীমায় নোঙর করা অবস্থায় বাংলাদেশি এমভি জাহান মনিতে অনবোর্ড থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সেখানকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে সকালে তার মৃত্যু হয়। ১০ দিন পর শনিবার ভোররাতে লাশ বাড়িতে পৌঁছায়।