চ্যাম্পিয়নস লিগে ২০১৬-১৭ মৌসুমে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ৪-০ গোলে হারায় বার্সেলোনাকে। ২০১৭ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি এভাবে হেরে যান মেসি-নেইমাররা। ৮ মার্চ ন্যু ক্যাম্পে বার্সেলোনা ৬-১ ব্যবধানে হারায় পিএসজিকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ ব্যবধানে জিতে বার্সেলোনা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে নেইমার এখন পিএসজিতে খেলেন। আর আজকেও তিনি বার্সেলোনার বিপক্ষে খেলতে পারছেন না। আগের লেগেও পারেননি। অবশ্য কিলিয়ান এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে পিএসজি ৪-১ ব্যবধানে জিতেছে। তফাত হচ্ছে, প্রথম লেগ এবার ন্যু ক্যাম্পে হয়েছে। আর আজ মেসিরা খেলবেন প্যারিসে। মেসি কি পারবেন বার্সেলোনাকে বড় জয় এনে দিতে। এতো রীতিমত মিশন ইম্পসিবল। কারণ গোল হজম না করে দিতে হবে ৪ গোল। ৩ গোল দিলেও হবে না সেখানে।
সেভিয়ার বিপক্ষে কোপা ডেল রের সেমিফাইনালে দারুণ পারফর্ম দেখিয়েছে বার্সেলোনা। প্রথম লেগে তারা ২-০ গোলে হেরে গিয়েছিল। পরের লেগে তারা ৩-০ গোলে সেভিয়াকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে। সেজন্যই আশা উঁকি দিয়ে যায়। বার্সেলোনা ঘুরে দাঁড়াতে শিখেছে।
নেইমার ও মেসি ২০১৫ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে। এরপর বার্সেলোনা ও নেইমার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেনি। গত মৌসুমে পিএসজি নেইমার-এমবাপ্পেতে ভর করে ফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে শিরোপা স্বপ্ন ভেঙে যায়।
ইতিহাস ফিরিয়ে আনতে আজ বার্সেলোনাকে অতিমানবীয় ফুটবল উপহার দিতে হবে। ওদিকে প্যারিসের মাঠে খেলা। যদিও সমর্থকরা মাঠে নেই। তারপরও চাপ তো রয়েছেই। এমবাপ্পে প্রথম লেগে হ্যাটট্রিক করেছেন। দারুণ ফর্মে রয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে মেসি ও বার্সেলোনার মিশন ইম্পসিবল। নতুন ক্লাব প্রেসিডেন্ট লাপোর্তা মেসির প্রিয় মানুষ। লাপোর্তায় মেসিদের ভাগ্য ফেরে কিনা সেটাই দেখতে হবে রাতে!