সোমবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৩
      Beta

কেন গানের স্বত্ব বিক্রি করলেন জাস্টিন বিবার?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশের সময় : বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:৩২:০০ অপরাহ্ন | বিনোদন

২৮ বছর বয়সী গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডজয়ী তারকা জাস্টিন বিবার গতকাল মঙ্গলবার হিপনোসিস সংস ক্যাপিটালের কাছে তার মুক্তি পাওয়া প্রতিটি গানের স্বত্ব বিক্রি করেছেন । যার মধ্যে ছিল ২৯৮টি গান সম্বলিত সম্পূর্ণ মিউজিক ক্যাটালগ । বিক্রি হওয়া ক্যাটালগের মধ্যে রয়েছে বিবারের ছয়টি স্টুডিও অ্যালবাম; এগুলো হলো- মাই ওয়ার্ল্ড ২.০, আন্ডার দ্য মাইলস্টোন, বিলিভ, পারপাজ, চেঞ্জেস এবং জাস্টিস। এছাড়া অন্যান্য প্রজেক্টের মধ্যে রয়েছে মাই ওয়ার্ল্ড অ্যান্ড জার্নালস এবং তার হিট সিঙ্গেল গান 'বেবি', 'বয়ফ্রেন্ড', 'হোয়াট ডু ইউ মিন', 'স্যরি', 'লাভ ইওরসেলফ', 'ইয়াম্মি', 'হলি' এবং 'পিচেস'।

হিপনোসিস সংস ক্যাপিটালের সাথে বিবারের এ চুক্তির বাজারমূল্য ২০০ মিলিয়ন ডলার, জানিয়েছেন বিলবোর্ড।সম্প্রতি জাস্টিন টিম্বারলেক ও কেনি চেসনির মতো শিল্পীরাও এই একই কোম্পানিতে নিজেদের গানের স্বত্ব বিক্রি করেছেন।

সম্প্রতি বব ডিলান, স্টিং, স্টিভ নিকস, ব্রুস স্প্রিংসটিনের মতো শিল্পীরা নিজেদের মিউজিক ক্যাটালগ বিক্রি করে দিয়েছেন; এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডজয়ী তারকা জাস্টিন বিবারও।

এই প্রসঙ্গে হিপনোসিস সং ম্যানেজমেন্ট এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক মার্কুরিয়াডিস বলেন, "৭০ বছরের কম বয়সী কোনো শিল্পীর গানের স্বত্ব বিক্রির ক্ষেত্রে বিবারের এই চুক্তিটিই সবচেয়ে বড় চুক্তি। মাত্র ২৮ বছর বয়সেই তিনি সঙ্গীত জগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শিল্পীদের একজন, যিনি পুরো মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকেই পুনরুজ্জীবিত করেছেন।"

"জাস্টিন বিবার এমন একজন শিল্পী যারা এক প্রজন্মে একবারই আসে এবং এই চুক্তির বিশালতার মাধ্যমেই তা প্রমাণিত। বিগত ১৫ বছর যাবত আমি তার (বিবার) পথচলা সামনে থেকে দেখেছি এবং আজকে যা কিছু হয়েছে তার জন্যে আমি খুব খুশি। জাস্টিনের মহত্ত্ব সবেমাত্র শুরু হয়েছে।“ জাস্টিনের দীর্ঘদিনের ম্যানেজার স্কুটার ব্রাউন এই মন্তব্য করেন।

বিবারের রাইটিং ও রেকর্ডিং থেকে আসা শতভাগ মুনাফার মালিক হবে হিপনোসিস কোম্পানি। এছারাও বিভিন্ন দোকানে বা রেস্টুরেন্টে বিবারের গান ব্যবহারের বিনিময়ে যে টাকা আসবে, সেটিও যাবে হিপনোসিস কোম্পানির পকেটে। তবে এই ক্যানাডান তারকার মাস্টার রেকর্ডিং (কোনো গানের অফিসিয়াল অরিজিনাল রেকর্ডিং) এর স্বত্ব আগের মতোই ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের হাতেই থাকবে।