আগস্ট ১৮, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর তিন লাখের বেশি মানুষ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরতে পারবে—জান্তা সরকারের এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) এ বিষয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সাম্প্রতিক বিবৃতির ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে তিন লাখের বেশি মানুষ নিজ দেশে ফিরতে পারবেন।
২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের পর লাখ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। সেই ঘটনার ৯ বছর পূর্তিতে মিয়ানমার সরকার জানায়, রাখাইনের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
মিয়ানমারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তথ্য পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ব্যক্তির তথ্য যাচাই করে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
তবে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর জবাবেই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে মিয়ানমার সরকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা প্রবেশের দাবিও প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি। মিয়ানমারের দাবি, বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার।
মিয়ানমারের জান্তা সরকারের এই বিবৃতির বিষয়ে এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছিলেন, ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।