ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০২:১০ পিএম
ড. মুহাম্মদ ইউনূস | ছবি: সংগৃহীত
ড. মুহাম্মদ ইউনূসফেব্রুয়ারির মধ্যেই যমুনা ছাড়ছেন ড. ইউনূস, প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হবে বাসভবন
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে দেবেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছিলেন। যমুনা ছাড়ার পর তিনি তাঁর গুলশান–এর ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন।
সরকারি সূত্র জানায়, যমুনা ভবনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর জন্য প্রস্তুত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন স্থায়ী বাসভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি যমুনাতেই থাকবেন। নিয়ম অনুযায়ী ড. ইউনূসের আরও তিন মাস সেখানে থাকার সুযোগ থাকলেও তিনি আগেভাগেই ভবনটি ছেড়ে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এ প্রেক্ষিতে গণপূর্ত অধিদপ্তর–এর প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার যমুনা পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলে গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুল আলম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাজিম মাশফিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা দুই–চার দিনের মধ্যেই বাসভবনটি ছেড়ে দেবেন। এরপর ভবনটিকে প্রধানমন্ত্রীর বাসযোগ্য করে তুলতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে। নতুন স্থায়ী বাসভবন নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যমুনাতেই প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের ব্যবস্থা করা হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন শেরেবাংলা নগরের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন গণভবন–এ বসবাস করেছেন শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ত্যাগের আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই ছিলেন। পরবর্তীতে গণভবনে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে এবং ভবনটিকে ‘জুলাই জাদুঘর’ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবনের জন্য গণভবনের পাশেই একটি স্থান নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত যমুনাকেই প্রধানমন্ত্রীর অস্থায়ী বাসভবন হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থাপত্য অধিদপ্তর–এর প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবনের একটি নকশা ইতোমধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।