জানুয়ারি ২৯, ২০২২, ০৪:৪৩ পিএম
জাতীয় সংসদে নির্বাচন কমিশন বা ইসি গঠনে যে আইন পাস হয়েছে, তাতে জনমতের প্রতিফলন ঘটবে না। দেশের চলমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে সংকট নিরসনে সব রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ ও সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরায় অন্তর্ভুক্তি করতে হবে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। নির্বাচন কমিশন আইন ও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে সংগঠনটি সকালে রাজধানীর বিজয়নগরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন করে। অনুষ্ঠানে সংগঠনের লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান দলের সদস্যসচিব নুরুল হক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হাসান, সোহরাব হোসেন, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ফাহিম, যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ, আব্দুজ জাহের, ফাতেমা তাসনিম, নাজমুল হুদা প্রমুখ।
দলটির নেতারা বলছেন, ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ অনস্বীকার্য। কিন্তু নতুন আইনটিতে সাংসদ ও রাজনৈতিক নেতাদের মতামতের সুযোগ না রেখে শুধু সরকারি দল এবং তাদের নিয়োগকৃত কতিপয় ব্যক্তির মতামতের বিধান রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান সরকারের সময়ে ‘সার্চ কমিটি’র মাধ্যমে গঠিত বিগত দুটি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে সুস্পষ্ট প্রমাণিত হয়েছে যে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। রাজনৈতিক নেতাদের ঐকমত্য ব্যতীত নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলে তাতে জনমতের চাওয়া প্রতিফলিত হবে না; বরং বিগত বিতর্কিত দুটি কমিশনের মতোই হবে।
গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দেশ-বিদেশে সমালোচনা চলছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আমাদের দেশে ভিন্ন। এর কারণে সাধারণ মানুষও বিপদে পড়বে।’