ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

আগস্ট ১৮, ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরায় ৩ ঘণ্টায় ৩৭৯ মামলা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরার স্বয়ংক্রিয় নজরদারি শুরু হওয়ার পর প্রথম তিন ঘণ্টাতেই ধরা পড়েছে একের পর এক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা।

আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ৩৭৯টি মামলা করেছে হাইওয়ে পুলিশ। হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এআই ক্যামেরার স্বয়ংক্রিয় নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।

এসব ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে সক্ষম। অতিরিক্ত গতি, নির্ধারিত লেন না মানা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, উল্টো পথে চলাচল ও অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিজিটাল মামলা তৈরি হচ্ছে।

মামলা হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য পাঠানো হচ্ছে। পরে নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে জরিমানার অর্থ পরিশোধের সুযোগ থাকছে।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীতে এর আগে আধা-স্বয়ংক্রিয় এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা করা হলেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এআই ক্যামেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আওতায় মহাসড়কের প্রায় ২৫০ কিলোমিটার এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।

এর আগে হাইওয়ে পুলিশ সদর দফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ১৮ আগস্ট থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম, অবৈধ পার্কিং, উল্টো পথে যানবাহন চালানোসহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে এআই ক্যামেরাভিত্তিক নজরদারি ও মামলা কার্যক্রম।

Link copied!