সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়: মির্জা ফখরুল

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০১:৩১ পিএম

সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়: মির্জা ফখরুল

এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর | ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ (বুধবার) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়। দিনটি আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক একটি অধ্যায় বলে আমরা মনে করি। দেশের পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে দেয়ার গভীর চক্রান্ত করা হয়েছিল এই দিনে। একইসঙ্গে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েছেন দেশের জনগণ।

মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে বিএনপি। অতীতের মতো দেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করাও দায়িত্ব।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় উচ্চ আদালত বিডিআরের ১৩৯ জন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৮৩ জনকে খালাস দেন। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা আরেকটি মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অভিযোগ, হত্যা মামলায় খালাস পেলেও অনেকে প্রায় এক যুগ ধরে দ্বিতীয় মামলায় কারাভোগ করছেন।

বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় প্রায় ১,২০০ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
 

Link copied!