ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে জমে উঠেছে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলে অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন মেসি।
চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মেসি ও এমবাপ্পে—দুজনেরই গোলসংখ্যা ৮টি। ফলে ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আগে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার নিয়ে উত্তেজনা বেড়েছে।
টুর্নামেন্ট শেষে দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে গোল্ডেন বুট বিজয়ী নির্ধারণে ফিফা তিনটি নিয়ম অনুসরণ করে:
সর্বোচ্চ গোল (প্রধান শর্ত):
পুরো টুর্নামেন্টে যে খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, তিনিই জিতবেন গোল্ডেন বুট। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে কিলিয়ান এমবাপ্পে ৮ গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন। সেবার লিওনেল মেসি করেছিলেন ৭ গোল।
প্রথম টাইব্রেকার (অ্যাসিস্ট সংখ্যা):
যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হয়, তাহলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্ট সংখ্যা। সমান গোলের ক্ষেত্রে যে খেলোয়াড় বেশি গোল করাতে সহায়তা করবেন, তিনি এগিয়ে থাকবেন।
দ্বিতীয় টাইব্রেকার (খেলার সময়কাল):
গোল ও অ্যাসিস্ট—দুই ক্ষেত্রেই সমতা থাকলে বিবেচনায় আসবে মাঠে খেলার সময়। যে খেলোয়াড় কম মিনিট মাঠে থেকে একই সংখ্যক গোল ও অ্যাসিস্ট করবেন, তিনিই গোল্ডেন বুট জয়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবেন।
বর্তমানে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে থাকা খেলোয়াড়রা:
ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করছে এবারের গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠবে। মেসি ও এমবাপ্পের লড়াইয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকবে বাড়তি উত্তেজনা।