তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গোল্ডেন বুটের হিসাবে যোগ হয়?

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি গোল্ডেন বুটের হিসাবে যোগ হয়?

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ দিকে এসে দর্শকদের মধ্যে একটি প্রশ্ন প্রায়ই ওঠে—তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোল কি গোল্ডেন বুটের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত? এর উত্তর হলো, হ্যাঁ।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচে করা গোলই সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’-এর হিসাবের মধ্যে গণনা করা হয়। অর্থাৎ, গ্রুপ পর্ব, নকআউট, ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী—সব ম্যাচের গোল সমানভাবে বিবেচিত হয়।

এর অন্যতম উদাহরণ ১৯৯৮ বিশ্বকাপ। সেবার ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার ডেভোর সুকের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়সূচক গোল করেন। সেটিই ছিল টুর্নামেন্টে তার ষষ্ঠ গোল। ওই গোলের সুবাদে তিনি আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে পেছনে ফেলে এককভাবে গোল্ডেন বুট জিতে নেন।

একইভাবে ২০১০ বিশ্বকাপেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জার্মানির থমাস মুলার উরুগুয়ের বিপক্ষে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে উন্নীত করেন। পরে গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টের হিসাবেও এগিয়ে থাকায় তিনিই সেই আসরের গোল্ডেন বুটের মালিক হন।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সেখানেও সমতা থাকলে দেখা হয় কে কম সময় মাঠে ছিলেন। অর্থাৎ, গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট এবং মাঠে কাটানো সময়ও গোল্ডেন বুট নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ফলে ফাইনালে খেলার সুযোগ না পেলেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের সামনে ব্যক্তিগত অর্জনের বড় সুযোগ থাকে। একটি গোলই বদলে দিতে পারে গোল্ডেন বুটের ভাগ্য।

Link copied!