৬ নদীর ১০ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুলাই ৯, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম

৬ নদীর ১০ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে

ছবি: সংগৃহীত

দেশের উজানে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে, যেখানে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ২৯৮ দশমিক ৫ মিলিমিটার।

অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের ছয়টি নদ-নদীর ১০টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

কেন্দ্রের সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, ছয় নদ-নদীর ১০টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৪২ সেন্টিমিটার, চট্টগ্রামের দোহাজারি পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া মাতামুহুরি নদীর লামা পয়েন্টে ১৫৪ সেন্টিমিটার, কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে ৪৯ সেন্টিমিটার, কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার, মনু নদীর মৌলভীবাজারের মনু রেল-ব্রিজ পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার এবং মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

অন্যদিকে ধলাই নদীর কমলগঞ্জ পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার এবং খোয়াই নদীর হবিগঞ্জের বল্লা পয়েন্টে ২২০ সেন্টিমিটার ও হবিগঞ্জ পয়েন্টে ১১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের সমতলের নদ-নদীর ৯৩টি পর্যবেক্ষণ পয়েন্টে পানি বাড়ছে। ৩১টি পয়েন্টে পানি কমেছে এবং ৩টি পয়েন্টে পানির উচ্চতা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (লালমনিরহাট) ও তারাপুর (গাইবান্ধা) পয়েন্ট; কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও শেরপুর (মৌলভীবাজার) পয়েন্ট এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) ও লরেরগড় (সুনামগঞ্জ) পয়েন্টে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে।

Link copied!