প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ (রোববার) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।
এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় দেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় থেকে মোট ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। বৃত্তি পেয়েছে ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ) এবং ৩৫ হাজার ৮৯২ জন ছাত্র (৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ)।
মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬ হাজার ২৮১ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ৪ হাজার ৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলার শিক্ষার্থীরা। এছাড়া সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।
বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা পাচ্ছে মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে ট্যালেন্টপুলে মাসিক বৃত্তি ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিতে ৪৫০ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
যেভাবে জানা যাবে ফলাফল
শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমেও ফল জানতে পারবে। অনলাইনে ফলাফল দেখা যাবে আইপিইএমআইএস (IPEMIS) পোর্টালে।
এ ছাড়া মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালেই ফল জানা যাবে। উদাহরণ: DPE 123456।