এলএনজি সরবরাহ কমেছে, সারাদেশে কমবে গ্যাসের চাপ

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুলাই ৭, ২০২৬, ০১:৪১ পিএম

এলএনজি সরবরাহ কমেছে, সারাদেশে কমবে গ্যাসের চাপ

ছবি: সংগৃহীত

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত কার্গোর ডেলিভারি শুরু করা সম্ভব না হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট কমে গেছে।

এর ফলে সারাদেশে সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপ সমস্যায় পড়বেন বলে মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি।

দেশে আমদানি করা এলএনজি মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। পরে বিতরণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের কাছে এই গ্যাস পৌঁছে দেওয়া হয়।

ভাসমান টার্মিনাল বা এফএসআরইউ থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে শুধু বাসাবাড়ির রান্নার কাজে নয়, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনেও সংকট তৈরি হতে পারে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে দৈনিক ১১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে। তবে কারিগরি সমস্যা, আবহাওয়া পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে সাধারণত ৮০০ থেকে ১০০০ এমএমসিএফডির মতো গ্যাস পাওয়া যায়।

তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত কার্গোর ডেলিভারি শুরু করতে না পারায় গ্যাস সরবরাহ ৫০০ এমএমসিএফডির কাছাকাছি নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।

দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে আমদানি করা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। এ অবস্থায় এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের ওঠানামা হলে পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ দ্রুত কমে যায়। বিশেষ করে যেসব এলাকায় আগে থেকেই গ্যাসের চাপ কম থাকে, সেসব এলাকার গ্রাহকদের ভোগান্তি বেশি হয়।

Link copied!