ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন থেকে মাঠপর্যায়েই নিষ্পত্তি করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকরা ‘ক’ ক্যাটাগরির এসব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষমতা পাবেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা জানানো হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য ও দলিলাদি গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে এনআইডির আবেদন ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অনুমোদন বা বাতিলের সময় সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (সিএমএস) সংশ্লিষ্ট কারণ বা নোট উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকির বিষয়েও পরিপত্রে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের অধীন কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা কাজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি আবেদন সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ছকে প্রতিবেদন তৈরি করে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর অভ্যন্তরীণ অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।
পরিপত্রে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখের সঙ্গে নিজ নাম ও বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের আবেদন কেবল মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে।
এছাড়া কোনো নাগরিকের জন্মতারিখ, নিজ নাম ও বাবা-মায়ের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার সংশোধনের সুযোগ থাকবে না বলেও পরিপত্রে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।