ছবি: সংগৃহীত
কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ২৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ। এখনো প্রায় ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্যালি, পেরেইরা, মানিজালেস ও কিবদোসহ পশ্চিম কলম্বিয়ার বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে, আবার কোথাও পুরো ভবনই ধসে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।
ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ জীবিত আছেন কি না, তা খুঁজে দেখতে ভারী যন্ত্রপাতি, উদ্ধারকারী কুকুর ও বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভূমিকম্পের পর গুরুত্বপূর্ণ ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে জীবিতদের উদ্ধারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে দুর্যোগ মোকাবিলা ও পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সহায়তা আসছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের জরুরি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। মেক্সিকো ও এল সালভাদরও সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বুধবার অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। একই সঙ্গে পুনর্গঠনের জন্য ‘মিরাকল ফান্ড’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এই তহবিলে দেশি-বিদেশি সহায়তা সংগ্রহ করে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতাল, স্কুল, ভবন, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে অর্থ ব্যয় করা হবে।
প্রেসিডেন্ট দে লা এসপ্রিয়েলার এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পুনর্গঠন দ্রুত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সহায়তা দেওয়া।