ছবি: সংগৃহীত
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় শিল্প সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবহার উৎসাহিত করতে বেশ কিছু পণ্যের ওপর শুল্ক ও কর বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এতে এসব পণ্যের আমদানি খরচ ও বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী সরাসরি মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে— কাজুবাদাম, আমদানিকৃত পাঙ্গাসের ফিলেট, সিগারেট, নিকোটিন পাউচ এবং হিটেড টোব্যাকো।
এছাড়া ২০০ থেকে ১৬০০ সিসির পেট্রোল ও ডিজেলচালিত গাড়ি, আমদানিকৃত ওয়াশিং মেশিন, জিপসাম বোর্ড ও শিট, পিভিসি রেজিনভিত্তিক পণ্য, পিইটি রেজিনভিত্তিক পণ্য, কোল্ড-রোল্ড কয়েল ও শিট, কপার তার ও কপার টিউব এবং পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবারের দামও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
এবারের বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।