সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী, কাঁচামরিচের কেজি ছাড়াল ২০০ টাকা

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুলাই ২৩, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী, কাঁচামরিচের কেজি ছাড়াল ২০০ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

কাঁচামরিচের বাজারে অস্থিরতা কাটছে না। গত এক সপ্তাহে কেজিতে প্রায় ৮০ টাকা বেড়ে রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়। একই সময়ে কয়েকটি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। পাশাপাশি ডিমের দামও বেড়েছে ডজনপ্রতি ৫ টাকা। মাছ-মাংসের বাজারেও আগের মতোই চড়া দাম দেখা গেছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মরিচ ও সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষেতের পানি জমে অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেছে, আবার অতিরিক্ত গরমেও মরিচ গাছের পাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী মরিচ ও সবজি সরবরাহ করতে পারছেন না। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাজারে। গতকাল বুধবার তেজকুনিপাড়া, আগারগাঁও ও কারওয়ান বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দুই সপ্তাহ আগে মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহে দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১২০ থেকে ১৬০ টাকায়। আর গতকাল তা আরও বেড়ে বিক্রি হয়েছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ১৪০ টাকা পর্যন্ত।

এদিকে অধিকাংশ সবজির দাম এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে রয়েছে। কিছু সবজির দাম ছাড়িয়েছে ১০০ টাকা। গত সপ্তাহে মুলা, চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দুল প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে এসব সবজি কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে। উচ্ছে, বেগুন ও বরবটির দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় উঠেছে।

তবে কিছুটা স্বস্তি এসেছে শসা ও টমেটোর দামে। বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে শসার দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা।

সবজির মধ্যে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পটোল, ঢ্যাঁড়শ ও পেঁপে। বর্তমানে পটোল ও ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে পটোলের দাম ছিল ৪০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়শের দাম ছিল ৬০ টাকা।

এদিকে ডিম ও মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গত সপ্তাহের মতোই ফার্মের সাদা ডিম প্রতি ডজন ১১৫ থেকে ১২০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুদিপণ্যের বাজারেও গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

Link copied!