ছবি: সংগৃহীত
পেরুর রাজধানী লিমার একটি নিম্ন আয়ের আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন এবং দুটি বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
বুধবার দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা (ইনডেসি) এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
সংস্থাটি জানায়, অগ্নিকাণ্ডে আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক ও পাঁচজন শিশু।
পুলিশ প্রধান অস্কার আরিওলা বলেন, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের নয়জন সদস্য রয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
তিনি জানান, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পেরুর স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসা দুর্বৃত্তদের সম্পৃক্ততার সন্দেহ রয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা কর্নেল জন লুজান বলেন, পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো বা চাঁদাবাজির সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ড থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া গিনা ভিলচেজ বলেন, তিনি ও তার সন্তানরা কোনোভাবে ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হন।
তিনি বলেন, “আমরা মোট ১৭ জন ছিলাম। ১০ জন মারা গেছে। আর আমরা সাতজন বেঁচে গেছি।”
পরিবারের সদস্যরা আগুনে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টার ভিডিও ও ছবি গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন।
এদিকে, পেরুর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনাকে “ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড” বলে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, “মানুষ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চায়। আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নিয়েই সেটিই হবে আমাদের প্রথম কাজ।”