ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে ঢাকা-১১ আসনে ড. এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে সোমবার নাহিদ ইসলামের পক্ষে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা ও অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে দাবি করা হয়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম তার হলফনামায় ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব থাকার তথ্য গোপন করেছেন।
শুনানিতে নাহিদ ইসলামের আইনজীবী বলেন, ড. এম এ কাইয়ুমের দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য পরবর্তীতে প্রকাশ পায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তার পাসপোর্টের ছবি ছড়িয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিক বা অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণকারীরা সংসদ সদস্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য নন।
আইনজীবী জানান, দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপন করার অভিযোগ এবং সাংবিধানিক অযোগ্যতার বিষয় সামনে রেখেই রিটটি দায়ের করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।