আগস্ট ২৭, ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
ছবি: রয়টার্স
দীর্ঘ ১৩ বছর পর আবারও রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে ফিরেছেন জোসে মরিনিও। পর্তুগিজ এই কোচের অধীনে গতকাল বুধবারের আগেই একটি ম্যাচ খেলেছিল রিয়াল। তবে ২-১ ব্যবধানে জেতা সেই ম্যাচটি ছিল এস্পানিওলের ঘরের মাঠে।
অবশেষে নিজেদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরলেন মরিনিও। ‘স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত এই কোচের প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লস ব্লাঙ্কোস। দলের বড় জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অন্য গোলটি করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ম্যাচ শেষে হ্যাটট্রিক করা এমবাপ্পেকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মরিনিও। তার মতে, মাদ্রিদের জার্সিতে ইতিহাস গড়ার জন্য ক্ষুধার্ত ফরাসি তারকা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা রিয়াল প্রথম গোলের দেখা পায় ৪০ মিনিটে, এমবাপ্পের মাধ্যমে। তবে চার মিনিট পরই সমতায় ফেরে সোসিয়েদাদ। এতে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডেও নাম ওঠে মরিনিওর। তার অধীনে লা লিগায় খেলা সর্বশেষ ৯ ম্যাচেই অন্তত একটি করে গোল হজম করেছে রিয়াল। সব মিলিয়ে এই নয় ম্যাচে ১৫ গোল হজম করেছে দলটি।
প্রথমার্ধ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে রিয়াল। ৬০ মিনিটে জুড বেলিংহামের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। আট মিনিট পর বেলিংহামের আরেকটি পাস থেকে ব্যবধান বাড়ান ভিনিসিয়ুস।
নির্ধারিত সময়ের ১০ মিনিট আগে ভিনিসিয়ুসের সহায়তায় নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এমবাপ্পে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল। এ জয়ে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে মাদ্রিদের দলটি।
ম্যাচ শেষে এমবাপ্পেকে নিয়ে মরিনিও বলেন, এই ছেলেটা (এমবাপ্পে) অসাধারণ। আমি খুশি যে ও বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছে (বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে)। কারণ বিশ্বকাপ জেতা ২৫ জন খেলোয়াড় ছিল, কিন্তু ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় থাকবেন একজনই— যিনি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন। মনে হচ্ছে, রেয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিহাস গড়ার জন্য সে ক্ষুধার্ত।
২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউট সামলেছেন মরিনিও। তার সময়ে মেসি লা লিগার এক মৌসুমে ৫০ গোল এবং রোনালদো ৪৬ গোল করেছিলেন। এমবাপ্পে তাঁদের ছাড়িয়ে যেতে পারবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মরিনিও বলেন, ৬০, ৪০ নাকি ৫০— আমি বলতে পারছি না। ৪০ গোল হলেই আমার ভালো লাগবে। তবে সেটার সঙ্গে শিরোপা থাকতে হবে।