এপ্রিল ১, ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জনগণের কল্যাণে সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর
জনগণের সরকার জনগণের কল্যাণেই সরকারি অর্থ ব্যয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা তাকে ভোট দেননি, তাদের প্রতিনিধিত্ব করাও তার দায়িত্ব। তিনি জানান, জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী ৫ বছরের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে পরিকল্পনা
ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যক্তি নয়, পরিবারের উন্নয়নই এর মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে পরিবার ও সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন বাড়বে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার ৮১৪ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় আসবে এবং পরবর্তী চার বছরে ৪ কোটি পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কৃষক কার্ড পহেলা বৈশাখে
কৃষকদের কল্যাণে কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ থেকে কৃষক কার্ড চালু হবে। প্রাথমিকভাবে ১০ জেলার ২২ হাজার কৃষক এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় আসবেন। ভবিষ্যতে দেশের সব কৃষকের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা
বাজেট বিষয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে না চাইলেও প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডধারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।
তিনি আরও বলেন, এই অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রবাহিত হবে এবং এতে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নেই।
কৃষিঋণ মওকুফ ও খাল খনন
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচিও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
শ্রমিক ও অন্যান্য উদ্যোগ
শ্রমিকদের জন্য আলাদা কার্ড চালুর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তবে শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা তা তদারকি করা হবে।
এছাড়া আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
উন্নয়নের আশাবাদ
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটবে।