আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গানবাজনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের উত্তেজনা, হামলা ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে জেলা পুলিশের আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় উচ্চস্বরে গানবাজনা হওয়ায় মাদ্রাসাছাত্ররা শব্দের মাত্রা কমানোর অনুরোধ করেন। এ নিয়ে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়।
একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে মাদ্রাসাছাত্ররাও পাল্টা ঢিল ছুড়তে শুরু করেন। এতে পুলিশ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ ৩০ জন আহত হন।
দারুল আরকাম মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের মাদ্রাসায় পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চস্বরে গানবাজনার কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন।
তাদের দাবি, প্রথমে শব্দ কমানো হলেও পরে আবারও উচ্চস্বরে গানবাজনা শুরু হয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের বাদানুবাদ হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে শিক্ষার্থীরা বলেন, অন্যথায় তারা কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।