আগস্ট ৩, ২০২৩, ০৭:১৩ পিএম
সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের জনকূটনৈতিক বিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন। সংগৃহীত ছাবি
ওমানে অনুমতি না নিয়ে সভায় যোগ দেওয়ায় দেশটির আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর ছাড়া পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনিসহ ১৭ বাংলাদেশি। মাস্কাটের বাংলাদেশ দূতাবাসের হস্তক্ষেপে তারা মুক্তি পান বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের জনকূটনৈতিক বিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন এ তথ্য জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “দূতাবাস থেকে পাওয়া তথ্যমতে সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার এবং প্রবাসী বাংলাদেশিসহ মোট ১৭ জনকে আটক করা হয়েছিল। পুলিশি হেফাজত থেকে আমাদের কর্মকর্তারা (মাস্কাটের বাংলাদেশ দূতাবাস) গিয়ে তাদের মুক্ত করেছেন।”
ওমানে বাংলাদেশি এমপিকে কেন আটক করা হলো-এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সেহেলী সাবরীন বলেন, “আমরা যা জানতে পারলাম তা হলো, ওমানে এ ধরনের কোনো সংলাপ বা কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা নিষেধ। আমরা জানতে পেরেছি, যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি এ সভার আয়োজন করেছিলেন তারা ওমান সরকারের অনুমতি নেননি।”
এমপি খাদিজাতুল আনোয়ারকে কোর্ট থেকে নাকি পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্ত করতে হয়েছে এবং সে ক্ষেত্রে মুচলেকা দিতে হয়েছে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “সব কিছুর একটা অফিসিয়াল প্রক্রিয়া রয়েছে। সেখানে দূতাবাস যখন হস্তক্ষেপ করেছে, সেখানে একটি আন্ডারটেকিং পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করেছে। অনুষ্ঠানটি রাত ১০টায় আয়োজন করা হয়েছিল। পরদিন সকালে দূতাবাসের হস্তক্ষেপে তাদের মুক্ত করা হয়।”
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার প্রয়াত অওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের (চট্টগ্রাম) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।