ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময় শেষ হলেও যদি ভোটাররা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকেন, তাহলে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
নির্বাচন কমিশন–এর এই কমিশনার বলেন, এবার সারা দেশে পোস্টাল ভোটসহ মোট ৪২ হাজার ৯৫৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার পরও যদি কোনো কেন্দ্রে ভোটার লাইনে থাকেন, আইন অনুযায়ী তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।”
নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮১ জন।
নিরাপত্তা প্রস্তুতি তুলে ধরে ইসি সানাউল্লাহ জানান, ভোটের দিন সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি মাঠে থাকবেন ২ হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোটের সরঞ্জাম বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বুধবার সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট ও প্রয়োজনীয় উপকরণ পাঠানো শুরু হবে এবং সন্ধ্যার মধ্যেই সব কেন্দ্রে তা পৌঁছে যাবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ে কমিশন সন্তুষ্ট। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে, তবে সেগুলো না হলে পরিস্থিতি আরও ভালো হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ থাকলেও সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকেরা নীতিমালা অনুযায়ী মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
ভোটার উপস্থিতি নিয়ে আশাবাদ জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, মাঠপর্যায়ে মানুষের আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস দেখে মনে হচ্ছে এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে।