টানা দুই দফা দাম বাড়ার পর দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা।
আজ (শুক্রবার) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানায়। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা।
এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। তখন ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা, যা সেদিন বিকেল ৪টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
চলতি বছরে এ নিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ২৫ বার সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ১৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৯ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ৯৩ বার—যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
চলতি বছরে রুপার দাম এ নিয়ে ১৭ দফা সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ১০ দফা দাম বেড়েছে এবং ৭ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।