ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ায় ছয়জনের মরদেহ পোড়ানো ও একজনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হচ্ছে। রায়কে কেন্দ্র করে মামলার আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে প্রিজনভ্যানে করে কারাগার থেকে আসামিদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করবেন।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।
মামলার পলাতক আট আসামি হলেন—ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।
এ মামলায় প্রসিকিউশন মোট ৫৩ জনকে সাক্ষী করেছে। গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আস সাবুরের ভাই রেজওয়ানুল ইসলাম ও শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের বাবা মো. খলিলুর রহমান। মোট ২২ কার্যদিবসে তদন্ত কর্মকর্তা জানে আলম খানসহ ২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।