ছবি: রয়টার্স
গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-রাশিদ সড়কে একটি গাড়িতে ড্রোন হামলায় গাজার পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল আবু কামিল নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার গাড়িটি লক্ষ্য করে ড্রোন থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলে তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের এক সপ্তাহের বিমান হামলার বিরতি শেষ হওয়ার এক দিন পর এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তবে ওই বিরতির সময় প্রাণঘাতী স্থল হামলা বন্ধ হয়নি। গত অক্টোবরে সম্মত হওয়া তথাকথিত যুদ্ধবিরতিও ইসরায়েল অব্যাহতভাবে লঙ্ঘন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা আবু কামিলকে ‘হুমকি’ হিসেবে লক্ষ্যবস্তু করেছে। কোনো প্রমাণ না দিয়েই তাদের দাবি, তিনি হামাসের একজন কমান্ডার ছিলেন।
তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে গাজার পুলিশ বাহিনী। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘আবু কামিল পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না’।
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় জামাল আবু কামিলকে হত্যা করা হয়েছে। গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হলে ৪৩ বছর বয়সী আবু কামিল নিহত হন।
হামাসও এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটি ঘটনাটিকে ‘দখলদারদের হাতে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধের ধারাবাহিকতা’ এবং ‘গাজা উপত্যকায় বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছড়িয়ে দেওয়ার তাদের করুণ ও ব্যর্থ প্রচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের একজন নিহত এবং অপরজন গুরুতর আহত হন।