ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আগামী শুক্রবার তুরস্কে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। বৈঠকে সৌদি আরব ও মিসরের মতো দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী । একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ।
পারমাণবিক কর্মসূচি, ইরানে চলমান বিক্ষোভ এবং মধ্যপ্রাচ্যের নানা ইস্যুতে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান–ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। সংকট নিরসনে আলোচনার পথ খুঁজছে উভয় পক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরুর নির্দেশ দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট । তিনি জানান, আলোচনা কেবল পারমাণবিক ইস্যুর কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেন, ইরান সব সময়ই কূটনীতির পক্ষে, তবে তা হতে হবে সমান অবস্থান থেকে। তিনি বলেন, সম্মানের সঙ্গে কথা বললে সম্মানের জবাব দেওয়া হবে, আর হুমকি ও বলপ্রয়োগের ভাষা ব্যবহার করলে তারও জবাব দেওয়া হবে একইভাবে।
এদিকে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনই জানানো সম্ভব নয়। তবে সমাধান হলে তা ভালো হবে, আর ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, শুক্রবার তুরস্কের শহরে নতুন করে আলোচনায় বসবেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৈঠকে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসরসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয়সহ একাধিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র তিনটি শর্ত দেয়- ইরানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যে নামিয়ে আনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং আঞ্চলিক ছায়াগোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন বন্ধ করা।
অন্যদিকে আলোচনার আগে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, মার্কিন সামরিক বহর যেন ইরানের উপকূল থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়।