ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরে সারাদেশে যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ (মঙ্গলবার) রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও স্বাস্থ্য-চিকিৎসাসংক্রান্ত সামগ্রী পরিবহনকারী যান এবং সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের টিকিট বা সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র প্রদর্শন করতে হবে। এছাড়া দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
ইসি আরও জানিয়েছে, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রেও। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যানবাহনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রয়োজন ও বাস্তবতা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কিংবা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে অতিরিক্ত কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।