‘এসআই অব্যাহতির পেছনে রাজনৈতিক কোনো কারণ নেই’

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

অক্টোবর ২২, ২০২৪, ০২:৫৭ পিএম

‘এসআই অব্যাহতির পেছনে রাজনৈতিক কোনো কারণ নেই’

ফাইল ছবি

প্রশিক্ষণ শেষের আগেই এসআই অব্যাহতির পেছনে রাজনৈতিক কোনো কারণ নেই। অতীতে এর থেকেও বেশি পরিমাণ অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়টি রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমি বলতে পারবে। অনেক ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ হতে পারে। এটা কোনো বিষয় না। নতুন সার্কুলার দেয়া হয়েছে দ্রুত নিয়োগ হবে।

তিনি আরও বলেন, যে কোনো আন্দোলনে উস্কানিদাতাদের রাজনৈতিক পরিচয় অনুসন্ধান করতে হবে। জামিনে মুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা যেন আর অপরাধে জড়াতে না পারে সতর্ক থাকতে হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

শাহবাগের পরিবর্তন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সভা-সমাবেশ করার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

আরও পড়ুনঃ ‘পলাতক পুলিশ সদস্যরা এখন হিসেবে সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচিত হবে’

প্রসঙ্গত, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে ৮২৩ জনের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৫২ জন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার অ্যাডিশনাল ডিআইজি (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ চলাকালে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে ২৫২ জনকে চাকরি থেকে ‘ডিসচার্জ’ করা হচ্ছে। এটার প্রসেস চলছে। চিঠি ইস্যু হচ্ছে। এ ছাড়া এই ২৫২ জনকে গত ১৭ অক্টোবর থেকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, পুলিশে এসআই পদে চাকরির জন্য প্রার্থীকে শারীরিক, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। পরীক্ষা দিতে হয় কম্পিউটার চালানোর দক্ষতার ওপরও। এসব ধাপ পেরিয়ে প্রার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। এরপর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থী ‘আউটসাইড ক্যাডেট’ হিসেবে সারদায় এক বছরের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

এবার আউটসাইড ক্যাডেট ৪০তম ব্যাচে মোট ৮২৩ জন ছিলেন। তারা প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে। শেষ হবার কথা ছিল এ বছরের নভেম্বরে।  সাধারণত অক্টোবর–নভেম্বর মাসে আউটসাইড ক্যাডেট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

এই পাসিং আউটের পর মৌলিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসআইদের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে মাঠপর্যায়ে কাজে পাঠানো হয়। সেখানে একবছর পূর্ণ হলে তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়। তবে অবশিষ্ট ৫৭১ জনের বিষয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় তারা এখনও বহাল আছেন বলে জানা গেছে। 

Link copied!