রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের নয়াগাঁও এলাকার একটি বাড়ি থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জুলাই) সকালে নয়াগাঁও তিন নম্বর ঘাট এলাকার একটি বাড়ির বিছানায় মরদেহ পড়েছিল। খবর পেয়ে থানা পুলিশ গিয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা পুলিশ তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি।
নিহতরা হলেন- ফুলবাশি চন্দ্র দাস (৩৪) ও তার মেয়ে সুমি চন্দ্র দাস (১২)। ফুলবাশির স্বামী কালু চন্দ্র দাসকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালু চন্দ্র দাস ও ফুলবাশি চন্দ্র দাস দম্পতির বড় মেয়ে ঝুমা রানী দাস ভোরে ঘুম থেকে উঠে মা ও বোনকে অচেতন দেখে চিৎকার করেন। এরপর প্রতিবেশীরা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের লাশ উদ্ধার করে।
কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মরদেহ দুটির গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। নিহতের স্বামীকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।
লালবাগ জোনের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘খবর পেয়ে কামরাঙ্গীরচর নয়াগাঁও ৩ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করে হয়েছে। তবে তাদের হত্যা করা হয়েছে, নাকি আত্মহত্যা করেছেন তাৎক্ষণিক তা জানা যায়নি। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’