দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ড. ইউনূসকে মোদী যা বললেন

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

এপ্রিল ৪, ২০২৫, ০৪:৪৭ পিএম

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ড. ইউনূসকে মোদী যা বললেন

ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে তা নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়া গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের মিনিস্ট্রি অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স।

শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।   

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সম্পর্কে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নৃশংসতার সকল ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্যও জোর দিয়েছেন বলে জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদী একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। মোদী জোর দিয়ে বলেন, ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বাস করে। নরেন্দ্র মোদী দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন, যা উভয় দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুবিধা দিয়েছে। এই চেতনায়, তিনি আবারও বাস্তবতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভারতের আকাঙ্ক্ষার ওপর জোর দেন।

পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে এমন কোনো বক্তব্য এড়িয়ে চলাই ভালো উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদী আরও সীমান্তে আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধ বিশেষ করে রাতে, সীমান্ত স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদী বাংলাদেশকে বিমসটেক চেয়ার পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, এই ফোরাম তার নেতৃত্বে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থ সংক্রান্ত সব বিষয় ধারাবাহিকভাবে এবং গঠনমূলক আলোচনা মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান এবং নিষ্পত্তি করা হবে। যা তাদের দীর্ঘস্থায়ী এবং পারস্পরিক সম্পর্কের স্বার্থে সঙ্গতিপূর্ণ হবে।

Link copied!