প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান | ছবি: সংগৃহীত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এলে এক ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর এবং উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

একই সঙ্গে দলটি সংসদের উচ্চকক্ষ প্রবর্তন, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং উচ্চকক্ষে ২০ শতাংশ নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত এই ইশতেহার শুক্রবার রাজধানীর হোটেল সোনারওগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ইশতেহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ইশতেহারের রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার অংশে বলা হয়েছে, সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হবে।

ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে,

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অগণতান্ত্রিক সংশোধনী বাতিল,
  • ৩১ দফার ভিত্তিতে সংস্কার,
  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল,
  • উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃজন,
  • প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর,
  • রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য,
  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা,
  • সংসদে উচ্চকক্ষ প্রবর্তন,
  • বিরোধীদলীয় ডেপুটি স্পিকার,
  • উচ্চকক্ষে ২০ শতাংশ নারী,
  • ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন,
  • আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত,
  • স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন,
  • সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে সংস্কার করা হবে।

এছাড়া ইশতেহারে ৩১ দফা ও জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন, মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, ফ্যাসিবাদ ও তাঁবেদারিত্বের পুনরাবৃত্তি দমন, বৈষম্য দূরীকরণ, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ভোটকে রাষ্ট্রক্ষমতার একমাত্র বৈধ উৎস হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের প্রত্যেক স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলসমূহকে সঙ্গে নিয়ে জনকল্যাণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারের লক্ষ্যে বিএনপি ইশতেহারে আরও জানিয়েছে, জাতি গঠন মানে কেবল রাষ্ট্র পরিচালনা নয়, বরং বিভাজন অতিক্রম করে একটি অভিন্ন জাতীয় সত্তা নির্মাণ। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের অবসান ঘটিয়ে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

Link copied!