ছবি: কোলাজ/ দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ
চলছে পবিত্র রমজান মাস। সারাদিন রোজা রাখার ফলে অনেক সময় শরীরে পানিশূন্যতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়। তাই ইফতারে শুধু পানি নয়, পুষ্টিকর ও সতেজকারী কিছু বিশেষ শরবত রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায়। ভাজাপোড়া এড়িয়ে হালকা ও পুষ্টিকর পানীয় গ্রহণ করলে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায় এবং সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকিও কমে।
ইফতারে যেসব শরবত উপকারী

লেবু-মধু পানি:
এক গ্লাস হালকা গরম বা ঠান্ডা পানিতে অর্ধেক লেবুর রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি শরীর ডিটক্সিফাই করে, ক্লান্তি দূর করে এবং পেটের জন্য আরামদায়ক।

ডাবের পানি:
প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটসমৃদ্ধ ডাবের পানি দীর্ঘ উপবাসের পর শরীরের খনিজ ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে কার্যকর।

পুদিনা-জিরার শরবত:
পুদিনা পাতা ও ভাজা জিরার গুঁড়ো দিয়ে তৈরি এই শরবত শরীর ঠান্ডা রাখে এবং এসিডিটি বা হজমের সমস্যা কমাতে সহায়ক।

তোকমা-লেবুর শরবত:
তোকমা দানা ভিজিয়ে লেবুর পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে পেট ঠান্ডা থাকে এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি অনুভূত হয়।

ঘোল:
টক দই, পানি, সামান্য বিট লবণ ও পুদিনা পাতা দিয়ে তৈরি ঘোল প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং পাকস্থলীকে শান্ত রাখে।
ইফতারে যেসব সতর্কতা মানবেন
খেজুর দিয়ে শুরু করুন: যে কোনও শরবত বা খাবারের আগে একটি বা দু’টি খেজুর খাওয়া ভালো।
ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন: দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া খাবার হজমের সমস্যা, মাথাব্যথা ও অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে।
পরিমিত আহার করুন: ভেজানো ছোলা, ফল বা মুড়ির মতো হালকা খাবার বেছে নিন।
সচেতন খাদ্যাভ্যাসে ইফতার হলে রোজার সময় শরীর থাকবে সতেজ ও সুস্থ।