জুলাই ২৬, ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
অনেকেই কোলবালিশ জড়িয়ে ঘুমাতে পছন্দ করেন। কেউ অভ্যাসের কারণে, আবার কেউ আরামদায়ক ঘুমের জন্য কোলবালিশ ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে কোলবালিশ ব্যবহার করলে শরীরের ভঙ্গি ঠিক থাকে, মেরুদণ্ডের ওপর চাপ কমে এবং ঘুমের মান উন্নত হতে পারে।
মেরুদণ্ডের সঠিক অবস্থান বজায় থাকে
পাশ ফিরে ঘুমানোর সময় হাঁটু ও কোমরের মাঝখানে কোলবালিশ রাখলে শরীর তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক অবস্থানে থাকে। এতে কোমর, নিতম্ব ও মেরুদণ্ডের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমে। ফলে সকালে ব্যথা বা অস্বস্তি কম অনুভূত হতে পারে।
কোমর ও নিতম্বের চাপ কমায়
যারা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন বা হালকা কোমর ব্যথায় ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে কোলবালিশ পায়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে নিতম্বের জোড়ায় চাপ কম পড়ে এবং ঘুম আরও আরামদায়ক হতে পারে।
কাঁধ ও হাতের জন্য সহায়ক
লম্বা কোলবালিশ বুকে জড়িয়ে ঘুমালে ওপরের হাত ও কাঁধের কিছুটা ওজন বালিশ বহন করে। এতে কাঁধের টান কম অনুভূত হয় এবং পাশ ফিরে ঘুমানো সহজ হয়।
গর্ভাবস্থায় আরাম দেয়
গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে পাশ ফিরে ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় কোলবালিশ বা প্রেগন্যান্সি পিলো পেট, কোমর ও হাঁটুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করতে পারে।
বারবার কাত বদলানোর প্রবণতা কমাতে পারে
অনেকের ক্ষেত্রে কোলবালিশ শরীরকে একটি স্থিতিশীল ভঙ্গিতে রাখতে সহায়তা করে। ফলে ঘুমের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া কিছুটা কম হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনও সীমিত।
সূত্র: হেলথলাইন