ডিবি অফিস থেকে বের হয়ে ফারদিনের সহপাঠীরা বললেন, ‘আমরা অনেকটা সন্তুষ্ট’

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

ডিসেম্বর ১৫, ২০২২, ০৬:২৭ পিএম

ডিবি অফিস থেকে বের হয়ে ফারদিনের সহপাঠীরা বললেন, ‘আমরা অনেকটা সন্তুষ্ট’

বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ ‘খুন হননি, আত্মহত্যা করেছেন’ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের এমন তথ্যের বিষয়ে জানতে সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে দেখা করে দুই ঘণ্টা আলোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।

পরে সহপাঠীরা বলেছেন, আমরা অনেকটা সন্তুষ্ট। আলামত দেখার পর তা প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে। তবে কিছু জায়গায় হয়তো গ্যাপ আছে।

ডিবির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তাদের সহযোগিতায় আমরা অনেকটা সন্তুষ্ট। তারা অনেক কাজ করছেন। আমরা চূড়ান্ত কিছু বলছি না। বুয়েটে ফিরে সবার সাথে আলোচনা করে আমরা বিস্তারিত বলব।

এদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন, ফারদিনের মৃত্যুর ঘটনাটি আমরা তদন্ত করেছি। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আমরা তার মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বলেছি। বান্ধবী বুশরাকে রামপুরায় নামিয়ে দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর ব্যাখ্যা দিয়েছি। কিন্তু তার সঙ্গে কেউ ছিলেন না, তিনি একা একাই বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, যাত্রাবাড়ী থেকে লেগুনায় করে ডেমরার সুলতানা কামাল সেতুর একপাশে তিনি নামেন। কিন্তু তিনি চনপাড়ার দিকে যাননি, সেখানে কোনো ঘটনাও ঘটেনি। ঘটনার ৩৮ দিন তদন্ত শেষে এটিকে আমরা সুইসাইডাল ঘটনা বলেছি। এ বিষয়ে বুয়েটের ৪০ জন শিক্ষার্থী এসে তিন ঘণ্টা আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা তার পরিবার, বন্ধু-আত্মীয়দের বলেছি, ফারদিন আত্মহত্যা করেছেন।

গত ৪ নভেম্বর রাজধানীর রামপুরা পুলিশ বক্সের সামনে বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরাকে নামিয়ে দেওয়ার পর নিখোঁজ হন ফারদিন। এ ঘটনায় রামপুরা থানায় একটি নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করেন ফারদিনের বাবা কাজী নুর উদ্দিন রানা।

৭ নভেম্বর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাঁর মৃতদেহ পায় নৌ পুলিশ। তাঁর পরিবার ও সহপাঠীরা দাবি করেন, ফারদিনকে হত্যা করা হয়েছে।

Link copied!