মে ৩, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে সীমান্তবর্তী এলাকায় পশুর হাট না বসানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বিদেশি গরু প্রবেশ বন্ধ রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সীমান্ত এলাকার কোনো হাটে পশু বেচাকেনার অনুমতি দেওয়া হবে না। তার মতে, প্রতিবছর ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গরু আসায় স্থানীয় খামারিরা লোকসানে পড়েন এবার সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী বলেন, এ বছর দেশে কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু রয়েছে। প্রায় ১ কোটির কিছু বেশি চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন রয়েছে তার চেয়েও বেশি। ফলে পশু সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই, বরং উদ্বৃত্ত থাকবে।
তিনি আরও জানান, সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার ৬০০টির বেশি পশুর হাট বসবে। এসব হাটে ভেটেরিনারি চিকিৎসক নিয়োগ থাকবে, বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বড় হাটগুলোতে একাধিক মেডিকেল টিম কাজ করবে।
পশু পরিবহনে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা হয়রানি ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবহন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে খামারিরা নির্বিঘ্নে পশু আনতে পারেন।
এছাড়া অনলাইনে পশু বিক্রির ক্ষেত্রেও কোনো খাজনা না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ হবে।
সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে কোরবানির পশুর বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং খামারিদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।