ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ব্যাপক হারে মসলা আমদানি বাড়ায় দেশের বাজারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। জিরা, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচসহ বিভিন্ন মসলার দাম আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় খুশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানান, ঈদকে সামনে রেখে ভারত থেকে মসলা জাতীয় পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বন্দরে আসা এসব পণ্য প্রতিদিন ঢাকা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।
বুধবার সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি ও খুচরা দোকানগুলোতে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা মসলা কিনতে সেখানে ভিড় করছেন।
হিলি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার এসএম সাইফুজামান রাজীব জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ মে পর্যন্ত প্রায় ২৬ হাজার মেট্রিক টনের বেশি মসলা জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু জিরা ও ছোট এলাচই এসেছে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিক টন।
আমদানিকারক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে চাহিদা বাড়ায় আমদানিও বাড়ানো হয়েছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এবার মসলার দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক মাসের তুলনায় এখন প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। আগে যে ছোট এলাচ প্রতি কেজি ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। একইভাবে জিরার দাম কেজিতে ৬৫০ টাকা থেকে কমে ৫৪০-৫৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবঙ্গ, গোলমরিচ, কালো এলাচ ও দারুচিনির দামও কমেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, দাম কমে যাওয়ায় বাজারে বেচাকেনাও বেড়েছে। অন্যদিকে ক্রেতারাও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। অনেকের মতে, ঈদের আগে বাজারে এমন দাম কমা সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক খবর।