টোকিওর জ্বালানি নিরাপত্তা ফোরামে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

মার্চ ১৪, ২০২৬, ০১:১৬ পিএম

টোকিওর জ্বালানি নিরাপত্তা ফোরামে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে জাপানের রাজধানী টোকিওতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘ইন্দো-প্যাসিফিক এনার্জি সিকিউরিটি মিনিস্টেরিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ফোরাম’। এই ফোরামে অংশ নিতে বর্তমানে টোকিও সফর করছেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

১৪ ও ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ন্যাশনাল এনার্জি ডমিনেন্স কাউন্সিল এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়। আয়োজকদের মধ্যে রয়েছেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও মার্কিন স্বরাষ্ট্র সচিব ডগ বারগাম, ভাইস চেয়ারম্যান ও মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আকাজাওয়া রিওসেই।

ফোরামে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জ্বালানি মন্ত্রীরা অংশ নিচ্ছেন। ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তিমুর-লিস্তে ও ভিয়েতনামের প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করছেন।

এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন। জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়ন, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

সম্মেলনের পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ব্রুনাইসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসব বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টেকসই জ্বালানি উন্নয়নের নতুন সুযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে সহায়ক হতে পারে।

Link copied!