চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ কিশোরের মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: দগ্ধ কিশোরের মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২

চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ শাওন (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এতে ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই জনে।
মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের মেইল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এমএইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শাওন।
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সোমবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে দগ্ধ ৯ জনকে ঢাকায় আনা হয়। তাদের মধ্যে শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ দগ্ধ শাওনের অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার সকালে সে মারা যায়। এর আগে একই ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ নুরজাহান আক্তার রানীকে জরুরি বিভাগে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার শরীরের শতভাগ দগ্ধ ছিল।
 

চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে শাখাওয়াত হোসেন ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া শিপনের ৮০ শতাংশ, সামির ও আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
 

গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের একাধিক সদস্য দগ্ধ হন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
 

বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন-- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩১), মো. সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো. ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো. আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
 

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

Link copied!