চিকিৎসা করতে গিয়ে কেউ যেন সর্বস্ব না হারায়: ডা. জুবাইদা রহমান

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

জুলাই ৭, ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম

চিকিৎসা করতে গিয়ে কেউ যেন সর্বস্ব না হারায়: ডা. জুবাইদা রহমান

ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা খরচ বহন করতে গিয়ে কেউ যেন সর্বস্ব না হারায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার।

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর গুলশানের আমারি হোটেলে আয়োজিত স্বাস্থ্যসংক্রান্ত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্য কোনও বিশেষ সুবিধা নয়। এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার। বছরের পর বছর ধরে অবহেলা ও জবাবদিহিতার অভাবের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত। দেশের মানুষ স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭২ শতাংশ বহন করে, যা অসুস্থতাকে দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ করে তোলে। আমরা চেষ্টা করি, সবার জন্য সুস্থতা। আমরা চাই সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। যাতে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে কেউ সর্বস্ব না হারায়, এবং মানসম্মত সেবা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দারিদ্র্য, দুর্যোগ, রোগ, বাস্তুচ্যুতি এবং নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছি। বারবার আমাদের জনগণ সাহস ও সহনশীলতার সঙ্গে জবাব দিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা গ্রাম অঞ্চলে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রাথমিকভাবে ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অপুষ্টি এবং অন্যান্য সমস্যা সনাক্তকরণের দিকে মনোনিবেশ করবেন। প্রতিরোধ ও সচেতনতা জোরদার করা এবং নারী, শিশু ও বয়স্কদের যত্নকে অগ্রাধিকার দেওয়া আমাদের লক্ষ্য।’

স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আজ আমরা একটি নতুন প্রজন্মের স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। বাড়ছে অসংক্রামক রোগ। আমাদের জনসংখ্যা বার্ধক্যজনক। জলবায়ু পরিবর্তন নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে এবং নগরায়ন মানুষের জীবনযাপন, কাজ ও যত্ন নেওয়ার পদ্ধতি পরিবর্তন করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো জটিল এবং এগুলো একটি প্রতিষ্ঠান বা একটি ক্ষেত্র দ্বারা সমাধান করা যায় না। তাদের নতুন চিন্তাভাবনা এবং নতুন অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!