অনূর্ধ্ব ৩০ বছরের প্রার্থীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হতে পারে

দ্য রিপোর্ট ডেস্ক

এপ্রিল ৫, ২০২২, ০৪:৫৮ পিএম

অনূর্ধ্ব ৩০ বছরের প্রার্থীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হতে পারে

আপাতত চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি হাবিবে মিল্লাতের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হলে নিয়োগ পরীক্ষা বেশি প্রতিযোগিতামূলক এবং ৩০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হবে।”

তিনি বলেন, “৩০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজন প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করেন। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১-২ বছর সময় লাগলেও তা গণনা করা হয় না।”

বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সেশনজট নেই উল্লেখ করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘“শিক্ষার্থীরা সাধারণত ১৬ বছরে এসএসসি, ১৮ বছরে এইচএসসি এবং ২৩-২৪ বছরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে থাকে। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর বিধায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরও তারা চাকরিতে আবেদনের জন্য কমপক্ষে ৬-৭ বছর সময় পেয়ে থাকে। এছাড়া, ৩০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজন প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১-২ বছর সময় লাগলেও তা গণনা করা হয় না।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “সম্প্রতি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ বছরে উন্নীত হওয়ায় বর্তমানে শূন্য পদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই কমেছে। তাই চাকরিতে প্রবেশের বয়সমীসা বৃদ্ধি করা হলে বিভিন্ন পদের বিপরীতে চাকরি প্রার্থীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে অধিকতর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হতে পারে।”

Link copied!